This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, January 13, 2013

এবার আয় করুন দেশী ফ্রিলান্স সাইট থেকে

অনেকেই মাঝে মাঝে প্রশ্ন করে থাকে যে, আমাদের দেশী কোন সাইট আছে কিনা যেখানে থেকে আয় করতে পারবেন তারা। আসলে এই কথাটি ৯০% নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মাঝেই লক্ষ করা যায়। যারা ইন্টারনেট কিছুদিন হল ব্যবহার করছেন, তারা আয় নামের এই সোনার হরিণটার পিছনে প্রথম থেকেই ছুটতে এসেই এই কথাগুলো বলে থাকেন। আসলে বলবেই না কেন, নেট এর পিছনে তারা যুক্ত হচ্ছে, ‘ইন্টারনেটে টাকা উড়ে’, “ক্লিক করুন আর আয় করুন”, এমন আরো সব কথা এরওর মুখে শুনে শুনে। তাই নেটের সাথে যুক্ত হবার সাথে সাথেই আয় করার প্রবনতা তাদের মাঝে চলে আসে। এক্ষেত্রে ভুল নির্দেশনার অভাবে বেশির ভাগই প্রতারনার শিকার হয়ে। আয় নামক হরিণ টিকে শুধু স্বপ্নেই দেখে। বাস্তবিকতা কতজনের ভাগ্যে জুটে?

যাক, যারা নতুন নেটের সাথে যুক্ত হয়েই আয় করতে ইচ্ছুক হন তাদের জন্য সুসংবাদই বলবো যে, বড় বড় সাইট থেকে কাজ পেতে যেমনটা ঝামেলা এবং অভিজ্ঞতা ও ঝুকি ছাড়া নতুনদের কাছে অনেকটা স্বপ্ন, তাদের জন্য আমাদের দেশে তৈরী ফ্রিলান্স সাইট http://www.deshiworker.com/. একই সাথে বাংলা এবং ইংরেজী ভাষায় সাইটি ব্যবহার করতে পারবেন। আর যারা ইংরেজীতে দূর্বল, আমি বলবো তাদের জন্য একটি মাইলফলক বটে। তারা সাইট এর কর্তৃপক্ষকে অন্তত একবার ধন্যযোগ জানাতে ভুলবনে না কিন্তু। ;)

এই সাইটটিকে কেউ মাইক্রোওয়ার্কার্স রিলেটিড সাইট বলে ভুল করবেন না কিন্তু। কারন, মাইক্রোওয়ার্কার্স রিলেটিড সাইট গুলোতে আপনি বিড না করেই যেকোন কাজ আপনার যোগ্যতা মাফিক করতে পারবেন। কিন্তু, এই সাইটে আপনাকে অন্যান্য বড় বড় ফ্রিলান্স সাইটের মত অন্যদের সাথে বিডিং প্রতিযোগীতা করে প্রোজেক্ট জয় লাভ করতে হবে। এবার হয়তো ভাবছেন, আপনি নতুন আপনি আবার এতা লোকের মাঝে কিভাবে কি করবেন। এখানে একটি কথা বলে রাখি, যদি আপনি ১০০% মনোস্থির থাকেন যে আয় করবেন, তাহলে কি পরিমান এবং কোন বিষযে কাজ করে আয় করবেন সেটিতে পারদর্শীতা অজর্ন করেন তারপর আয় করবেন বলে চিল্লাচিল্লি করবেন। তা নাহলে অযাথা নিজের এবং অন্যকে প্রশ্ন করে সময় নষ্ট করবেন না। কারন, এই ভার্চুয়াল বিশ্বে অকর্মাদের কোন দাম নাই। :D

অনেক কথা বলে ফেললাম। এবার আসি মূল কথায়। সাইটে থেকে স্বাভাবিকভাবে কাজ করে টাকা তোলার তিনটি পদ্ধতি আছে নিম্নরূপ:

১. Bank Transfer: সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা। Dutch Bangla Bank, Islami Bank এবং Brac Bank এর মাধমে টাকা তুলতে পারবেন।
২. Cash: সর্বনিম্ন ১০০ টাকা।
৩. Mobile Topup: সর্বনিম্ন ১০০টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৯০০ টাকা।

কাজ করার নিয়ম তেমন কঠিন না। আর সাইটটি যেহেতু বাংলায় তাই কিভাবে কাজ করতে হবে তা নিয়ে বিস্তারিত লিখলাম না। নিজরোই একটু চেষ্টা করলেই কাজ করতে ও বুঝতে পারবেন। একান্তই বুঝতে সমস্যা হলে মন্তব্যে আকারে জানাতে বুলবেন না।

তো শুরু করে দিন দেশী সাইইটে আপনার ফিলান্সিং

ক্যারিয়ার হিসেবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)

তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় কাজের ক্ষেত্র এখন বিশ্বব্যাপি। ঘরে বসেই কম্পিউটারের মাউস আর কিবোর্ডের সমন্বয়ে অর্জিত বৈদেশিক ডলারে স্বাবলম্বি হচ্ছেন অনেকেই। অনলাইনে আয়ের এমনই একটি মাধ্যম হলো এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। সময়ের পেশা হিসেবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন যথার্থই বটে। যারা পেশা হিসেবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে বেছে নিতে চান তাদের জন্যই এ লেখা। সম্প্রতি দৈনিক সমকালে আমার এ লেখাটি প্রকাশিত হয়। সেটি আর্নট্রিক্সের পাঠকদের জন্য এখানে প্রকাশ করা হলো।

কম্পিউটার ইন্টারনেটের এই যুগে প্রথাগত চাকরির ধরণ পাল্টে যাচ্ছে! ধারণা করা হচ্ছে, আগামী দিনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অফিসগুলো হবে ভার্চুয়াল অফিস। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঘরে বসেই প্রতিষ্ঠানটির সকল এমপ্লয়ি অফিসের সমস্ত কার্যক্রম শেষ করবেন। এই পরিবর্তণের ছোয়া লেগেছে বেশ আগেই। সময়ের পরিবর্তনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ঘরে বসে আয়ের মাধ্যমগুলো। আয়ের এই মাধ্যমকে অনেকেই পেশা হিসেবে নিচ্ছেন। আয়ের এমনই একটি মাধ্যম এসইও অর্থ্যাৎ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। সময় এবং কাজের ধরনের এই পরিবর্তনে যুগোপযোগি পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। যারা এই পেশার সঙ্গে জড়িত তাদের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার বলা হয়। বাংলাদেশেই হাজার হাজার তরুণ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার প্রতি মাসেই শত শত ডলার আয় করছে। ইন্টারনেটে কাজের ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত ওডেক্স, ফ্রিল্যান্সারসহ জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বাংলাদেশি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারদের বেশ জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফলে পেশা হিসেবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে বেছে নেওয়ার বিশাল ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।

seo carrier

এসইও কি?

এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হলো মূলত সার্চ ইঞ্জিনকে নিয়ে কাজ করা বা অনলাইন মার্কেটিং করা। বিষয়টি একটু বিষদভাবে বলা প্রয়োজন। যখন কোনো বিষয়ে গুগলে সার্চ করা হয় তখন সে বিষয়ে হাজার হাজার ওয়েবসাইটের ঠিকানা আসে। প্রথম পেজে ১০টি ওয়েবসাইটের ঠিকানা আসে। এখন ধরুন আপনার একটি ওয়েব সার্ভিস প্রতিষ্ঠান আছে। অনলাইনে প্রচারনার জন্য প্রতিষ্ঠানটির একটি ওয়েবসাইটও আছে। এখন কেউ যদি ওয়েব সার্ভিস লিখে গুগলে সার্চ করে তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি সার্চ রেজাল্টের প্রথমে আনার জন্য আপনাকে ব্যাকএন্ডে যা করতে হবে সেটিই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। এককথায় সার্চ ইঞ্জিনে কোনো ওয়েবসাইটের প্রথম অবস্থানে আনার জন্য যা করা লাগে সেটাই সার্চ ইঞ্জিন। নতুন কোনো সাইটে ভিজিটর আনার  উপায় হলো এসইও। এসইও প্রধানত দু’প্রকার। একটি হলো অনপেজ অপটিমাইজেশন, অপরটি অফপেজ অপটিমাইজেশন।

এসইও তে যা করতে হয়
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বিভিন্নভাবে করা যায়। প্রথমত আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের সঙ্গে মিল রেখে উপযুক্ত কি-ওয়ার্ড সিলেক্ট করতে হবে। সব ধরনের সার্চ ইঞ্জিনে সাইটকে সাবমিট করা। এছাড়া সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ইউআরএল ব্যবহার, সঠিক হেডিংয়ের ব্যবহার, ওয়েব ডিরেক্টরিগুলোতে সাইট সাবমিট করা, ম্যাস মেইলিং প্রসেস, ব্যাকলিংক তৈরি করা, উন্নত ও ইউনিক কনটেন্ট তৈরি করা, alt এট্রিবিউটের ব্যবহার, robot.txt-এর ব্যবহার, সামাজিক যোগাযোগ সাইটে শেয়ারিং, ডেসক্রিপশন ট্যাগ, মেটা ট্যাগ, এক্সএমএল সাইটম্যাপ তৈরি, ফোরাম পোস্টিং, আর্টিকেল সাবমিটিং, লিংকহুইল ইত্যাদি কাজ করতে  হবে। এগুলো সবকিছুই আপনি যে সাইট নিয়ে কাজ করছেন গুগলে র‌্যাংকিংয়ে তার ভালো পজিশনে বা প্রথম দিকে আনার ক্ষেত্রে কাজ করবে।

what is seo

কেন শিখবেন এসইও?
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন [এসইও] সময়ের আলোচিত একটি পেশা। যারা ওয়েব উদ্যোক্তা বা ওয়েবমাস্টার হতে চান তাদের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখা অবশ্যই জরুরি। এছাড়া যারা সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চান তারাও এসইও শিখে ফ্রিল্যান্সিং করে প্রতি মাসে শত শত ডলার আয় করতে পারেন। বিশেষ করে যাদের কম্পিউটারের সাধারণ জ্ঞান আছে এবং ইংরেজিতে লেখালেখি করতে পারেন তারা এই পেশাকে বেছে নিতে পারেন অনায়াশেই। অনলাইন মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক.কম বা ফ্রিল্যান্সার.কমসহ জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসে প্রতি মুহূর্তে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বিষয়ক শত শত প্রজেক্ট জমা হয়। বাংলাদেশি শত শত ফ্রিল্যান্সার এসব কাজ করে শত থেকে হাজার হাজার ডলার আয় করে থাকেন। অল্প সময়ে কাজ করে প্রচুর টাকা আয়ের অন্যতম উপায় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। আপনি যদি নিজের সাইটের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করেন তাহলে এর মাধ্যমে অধিক পরিমানে ভিজিটর পাবেন। যেহেতু ভিজিটর = টাকা হিসেবে বিবেচনা করা হয় সেহেতু যতো ভিজিটর আসবে আপনার ব্যবাসয়িক লাভ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। অধিক ভিজিটরের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি, অ্যাফিলিয়েট বা অ্যাডসেন্স থেকে আয়ের সুযোগ থাকে। এছাড়া ঘরে বসে রিলাক্স মোডে কাজ করা ও তার মাধ্যমে আয় করার এটাই সুযোগ। শুধু মার্কেটপ্লেস নয় লোকাল মার্কেট থেকে প্রতিনিয়ত কাজ পাওয়ার বহু সম্ভাবনা রয়েছে এসইও এর ক্ষেত্রে।

যাদের জন্য উপযোগি
বড় বড় ডিগ্রি নিয়ে অনেকেই বসে আছেন কাজের সন্ধানে, একটি চাকরির জন্য। তবে তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ঠ কাজ জানলে বসে থাকার কোনো কারণ নেই। আপনি যাই পারেন না কেনো, তাই অনলাইনে  করতে পারেন। সে সুযোগ রয়েছে। তবে যাদের কম্পিউটার সম্পর্কে সাধারণ ধারণা আছে, ইংরেজিতে মোটামুটি পারদর্শী, ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তারা অতি সহজে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে পারেন এবং এটিকে পেশা হিসেবে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা জানার তেমন দরকার নেই। অনপেজ অপটিমাইজেশনের জন্য নূণ্যতম কোডিং জ্ঞান থাকলেই হবে, যেটি আপনি প্রশিক্ষণ  বা অনলাইনের বিভিন্ন রিসোর্স থেকে জেনে নিতে বা শিখে নিতে পারবেন। তাই এই কাজ অতি সহজে রপ্ত করে দ্রুত কাজ শুরু করা যায়। প্রতিনিয়ত যেহেতু হাজার হাজার ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে তার জন্য এসইও করার প্রয়োজন হয়। এজন্য আগামীতেও এসইও কাজের প্রভাব থাকবে। অর্থ্যাৎ এসইও শিখলে আপনাকে  বসে থাকতে বা বেকার থাকতে হবে না। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী এই কাজে নিয়োজিত আছেন লাখ লাখ মানুষ। তবে এই নূণ্যতম দক্ষতার পাশাপাশি আপনাকে কাজ শেখার, পরিশ্রম করার ও প্রচুর ধৈর্য থাকতে হবে।

seo-search-engine-optimization-services-banner

কাজের ক্ষেত্র ও আয়
দক্ষ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার হতে পারবে কাজের ক্ষেত্রের অভাব নেই। প্রাথমিকভাবে একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার ওডেস্ক.কম, ফ্রিল্যান্সার.ডট, গুরু.ক, ইল্যান্স.ডটকম সহ অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ শুরু করতে পারেন। এসব সাইটে প্রতিমুহুর্তে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের অসংখ্য কাজ যোগ হচ্ছে। ওডেস্ক.কম সাইটে দেখা গেছে প্রায় সবসময়ই সাইটটিতে ৭/৮ হাজারের অধিক সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজ রয়েছে। ফ্রিল্যান্সার.কম সাইটিতেও দুই হাজারের অধিক প্রজেক্ট রয়েছে। এগুলো ঘন্টাচুক্তিতে বা ফিক্সড প্রাইসে করা যায়।  এছাড়া সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারকে সম্ভব হলে লোকাল মার্কেটের কিছু কাজ করে নিজস্ব ব্র্যান্ডিং ভ্যালু বাড়ানো উচিত। এতে জাতীয় বা আন্তর্জাতিকভাবে কাজ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা থাকে। এছাড়া প্রথমদিকের কাজগুলো ভালোভাবে সম্পন্ন করে রেপুটেশন ভালো করতে পারলে বায়ার খুশি হবে। এরপর তারা প্রয়োজনে আপনাকেই খুঁজে কাজ দেবে। মার্কেটপ্লেসের বাইরে কাজ করতে পারলে আপনার আয়ের পরিমানও বাড়তে পারে। তাই যথাসম্ভভ ভালোভাবে কাজ করা উচিত।

আর হ্যাঁ, কাজ জানলে যেহেতু কাজের অভাব নেই তাই এই পেশায় চিন্তার কোনো কারণ নেই। প্রয়োজন শুধু নিজেকে আপডেট রাখা। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে সাধারণত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের যে কাজগুলো পাওয়া যায় তার মধ্যে কোনো সাইটকে গুগলের ১ নম্বর র‌্যাংকিং এ আনা, ফোরাম পোস্টিং, লিংক বিল্ডিং, সাইটের অনপেজ অপটিমাইজেশন, বুকমার্কিং সহ বিভিন্ন কাজ। একটি সাইটকে গুগলের প্রথম পেজে আনতে সাইটের কিওয়ার্ডের উপর নির্ভর করে সাধারণত ২০০ থেকে ১০০০ হাজার ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। এছাড়া অন্যান্য কাজগুলো করে ঘন্টায় নূর্ণতম ২ ডলার থেকে শুরু করে ২০ ডলার পর্যন্ত আয় করা যেতে পারে। এছাড়া ফিক্সড প্রাইসে ফোরাম পোস্টিং, লিংক বিল্ডিং, ব্যাক লিংক বা বুকমার্কি করে ১০ ডলার থেকে শুরু করে ২০০ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে। তবে এখানে মূলত আপনার কত সময় লাগবে এবং কোন কিওয়ার্ডের উপর কাজ করতে হবে সেটির উপর নির্ভর করে। তবে সাধারণত একজন দক্ষ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজের মাসে অনায়াসেই ২০/৩০ হাজার থেকে শুরু করে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারেন।

প্রয়োজনে নিতে হবে প্রশিক্ষণ
ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে এসইও’র সঙ্গে আয়ের একটি বিশাল ক্ষেত্র জড়িত। যথাযোগ্য যোগ্যতা থাকলে সফল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার হওয়ার সোপানে পা বাড়াতে পারেন। তবে পেশা হিসেবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে বেছে নিলে অবশ্যই এই ক্ষেত্রে ভালোভাবে দক্ষ হতে হবে। ভালো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে হাতে-কলমে শিখতে হবে। সবথেকে বড় কথা হলো কোনো কাজ ভালোভাবে না শিখে কাজ করতে মাঠে নেমে যাওয়া উচিত নয়। তাহলে হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আপনি যদি মার্কেটপ্লেসে  কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই আগে যোগ্য হতে হবে। অযথা কোনো কাজে বিড করলে আপনার রেপুটেশন খারাপ  হয়ে যাবে। আর একবার রেপুটেশন খারাপ হয়ে গেলে আপনি যতই ভালো কাজ জানেন না কেনো কাজ পেতে কঠিন হয়ে যাবে। আর যদি ভালোভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখে কাজ করতে নামেন, তাহলে সহজেই সফলতার মুখ দেখতে পাবেন। আপনার রেপুটেশন ভালো হয়ে গেলে আপনি আন্তর্জাতিক ও লোকাল মার্কেটের রেগুলার ক্লায়েন্ট পেয়ে যেতে পারেন, যারা আপনাকে মার্কেটপ্লেসের বাইরের খুঁজে খুঁজে কাজ দেবে। তাই আবারো বলতে হয়, আগে কাজ শিখুন তারপর মাঠে নামুন। আর আপনি কাজ জানলে আয় হবেই। বাংলাদেশে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি  প্রতিষ্ঠান সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছে।

Thursday, July 5, 2012

How to select your blogging platform( কিভাবে আপনার ব্লোগ্গিং নির্বাচন করবেন )

প্রিয় বন্ধুরা আজ আমরা  আলোচনা  করব কিভাবে আপনার ব্লোগ্গিং প্লাটফর্ম নির্বাচন করবেন :

আমাদের দেশে প্রচুর যোগ্যতা সম্পন্ন জনশক্তি  থাকা সত্তেও এখনো পর্যন্ত তাদেরকে
   

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Followers